সদর হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের পতিদিন সেহরী দিচ্ছেন কারা ?

সদর হাসপাতালে রোগীর স্বজনদের পতিদিন সেহরী দিচ্ছেন কারা ?

মানুষকে সেবা দিয়ে আবার কেও বা খেতে দিয়ে অনেকে তৃপ্তি লাভ করেন। সমাজে মহৎ শ্রেনীর এমন কিছু মানুষ আছে বলেই বঞ্চিত একটি বড় অংশ ছিটেফোটা হলেও সাহায্য, সহযোগিতা ও সেবা পাচ্ছেন।

মাহে রজমান উপলক্ষ্যে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে রোগীর সাঙ্গে থাকা স্বজনদের প্রতিদিন সেহরী দিয়ে এমন এক দৃষ্টান্ত ও মহানুভবতার পরিচয় দিয়েছেন ঝিনাইদহের একদল যুবক। গত বছরের ন্যায় এবারও স্বেচ্ছাসেবীরা তাদের নিজের অর্থ দিয়ে সদর হাসপাতালে সেহরীরর সময় খাবার পৌছে দিচ্ছেন।

প্রতিদিন প্রায় এক’শ মানুষকে তারা সেহরী করাচ্ছেন। রোগীর স্বজনদের মাঝে সেহরী বিতরণের উদ্যোক্তা বিশিষ্ট নাট্য ও সাংস্কৃতিক সংগঠক শামীম আহম্মেদ টফি জানান, জানান, ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে ভর্তিকৃত রোগীরা নিয়মিত খাবার পেলেও সঙ্গে থাকা স্বজনরা বাইরে থেকে খাবার নিয়ে আসেন।

বিশেষ করে গরমের সময় রোগীর স্বজনরা ভোরে সেহরী খেতে পারেন না। বেশির ভাগ সময় সেহরী না করেই রোজা রাখেন। সেই মানবিক দৃষ্টিকোন থেকে গত বছরের মেতা এবারও সেহরী বিতরণ করা হচ্ছে।

শনিবার ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেছে এই কর্মসূচির সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন রেল আব্দুল্লাহ হুমায়ন হিমু। তার সঙ্গে সেচ্ছাসেবক হিসাবে আছেন মোঃ আব্দুর রহিম, মহিদুল ইসলাম, জুবায়ের, ওমায়ের বাবু, সাজ্জাদ হোসেন, হাসান, মাসুদ বিশ্বাস ও নুরমোহাম্মদসহ এক ঝাক যুবক।

এ কর্মসুচির সমন্বয়কারী রেল আব্দুল্লাহ জানান, করোনাকালে শহরের সক হোটেল রেস্তোরা বন্ধ থাকে। দুরদুরান্তের রোগীর স্বজনরা সেহরী খেতে পারেন না। তাই আমরা সব রোজার দিন সেহরীর খাবার বিতরণ করবো।

বিষয়টি নিয়ে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালের তত্বাবধায়ক ডাঃ হারুন অর রশিদ জানান, এমন উদ্যোগের কথা শুনে খুবই ভাল লাগছে। এই মহৎ কাজের মাধ্যমে আয়োজকরা আল্লাহ পাকের রহমত পাবেন বলে মনে করি।

আরও পড়ুন

×